সর্বশেষ আপডেট

স্বাস্থ্য

প্রযুক্তি

ভিডিও

From our Blog

Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

Saturday, 14 May 2016

যে ৭টি খাবার এবং ওষুধ একসাথে ভুলেও খাবেন না


আপনি কি জানেন সারা পৃথিবীতে কি পরিমাণের মানুষ ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য মারাত্নক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এর সংখ্যা প্রায় ৭.৮ বিলিয়ন !

আরেক গবেষণায় দেখা গেছে বেশির ভাগ ওষুধের সাথে ভুল খাবার খাওয়ার কারণে সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে রোগ আরও বেশি বেড়ে যায়। কিছু রোগের সাথে কিছু কিছু খাবার খাওয়া একদমই উচিত নয়।

যেমন অ্যাজমা রোগীদের প্রচুর পরিমাণে কফি পান করা উচিত নয়, তেমনি প্রেশারের রোগীদের লবণ এবং লবণ জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত।

১। কলা এবং রক্তচাপ সম্পর্কযুক্ত ওষুধ –
আপনি যদি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেয়ে থাকেন, তবে পটাশিয়াম যুক্ত ফল কম পরিমাণে খাওয়া উচিত। কলা পটাশিয়ামের অনেক ভাল উৎস। রক্তচাপের ওষুধের সাথে কলা কম খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত কলা খাওয়া হার্ট বিট বৃদ্ধি করে বুক ধড়ফড় বাড়িয়ে দিয়ে থাকে।
২। অ্যালকোহল এবং পেইনকিলার –
আপনি যদি ডায়াবেটিস, অ্যানথিস্টামিনস অথবা অন্য কোন পেইন কিলার খেয়ে থাকেন তবে অ্যালকোহল পান করা থেকে বিরত থাকুন। এই ওষুধগুলোর সাথে আপনি যখন অ্যালকোহল পান করবেন, তখন লিভারের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাবে। অ্যালকোহল শরীরের মিশিয়ে নিতে লিভারকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। লিভারের এই অতিরিক্ত কাজ করার জন্য শরীরে অভ্যন্তরীণ কোন অঙ্গও হানি হতে পারে।

৩। সবুজ শাক সবজি এবং অ্যান্টিকোঅ্যাগুলান্টস –
রক্ত ঘন অথবা রক্ত বৃদ্ধি করার সবচেয়ে ভাল এবং কার্যকরী উপায় হল শাক সবজি যেমন পালং শাক, ব্রকলি ইত্যাদি খাবার খাওয়া। এই সবজিগুলোতে ভিটামিন কে রয়েছে যা রক্ত পরিষ্কার করে ঘন করতে সাহায্য করে। কিন্তু আপনি যদি রক্ত বৃদ্ধি করার ওষুধ খেয়ে থাকেন তবে শাক সবজি খুব বেশি পরিমাণে না খাওয়াই ভাল।
৪। যষ্টিমধু এবং হার্টের ওষুধ –
আপনি যদি হার্টের রোগী হয়ে থাকেন, তবে যষ্টিমধু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই খাবারটি রক্তে পটাশিয়াম পরিমাণ হ্রাস করে দেয়। পটাশিয়াম লেভেল কমে যাওয়ার কারণে রোগী দূর্বলবোধ করে এবং হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
৫। জাম্বুরা এবং স্টায়াটিন –
জাম্বুরায় থাকা উপাদানগুলো শরীরের স্টায়াটিন ভেঙ্গে দিয়ে থাকে। এটি রক্তচাপ কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। তাই প্রেশারের রোগীদের জাম্বুরা একটি সীমা পর্যন্ত খাওয়া উচিত।
৬। দুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক –
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক যেমন টেট্রাসাইক্লিন, কিপ্রোফ্লোক্সাসিন এবং অস্টিওপরোসিস সমৃদ্ধ কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে দুধ খাওয়া উচিত নয়। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে দুধ পান করলে অনেক সময় এইগুলো ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এর কার্যকারিতা কমে যায়।
৭। লেবু এবং কাশির ওষুধ –
ডেক্সথ্রোমেথফেইন জাতীয় কাশির ওষুধের সাথে লেবু জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। লেবুতে থাকা অ্যাসিড এই ওষুধের সাথে মিশিয়ে আপনাকে আরও বেশি ক্লান্ত, তন্দ্রালু করে তুলবে।
তথ্যসুত্রঃ প্রিয়.কম

Thursday, 5 May 2016

ঘুমানোর অঙ্গভঙ্গিই বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ



জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় নাকি মানুষ ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুসারে, প্রত্যেক মানুষের প্রতিদিন রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার। নইলে মেজাজ খিটখিটে থাকে। কিন্তু এই ঘুমেরও নাকি আবার আদব-কায়দা আছে।

সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, প্রত্যেকেরই নাকি ঘুমের নিজস্ব ধরণ আছে । কেউ চিৎপাত হয়ে ঘুমায়। কেউ একেবারে গুটিসুটি মেরে, কেউ আবার পাশ ফিরে, আবার কেউ উল্টো হয়ে ঘুমায়।



তবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ গুটিসুটি মেরে ঘুমাতেই বেশি পছন্দ করে। শতকরা ৪১ শতাংশ মানুষ গুটিসুটি মেরে ঘুমায়। ঘুম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এভাবে ঘুমায়, তারা স্বভাবে লাজুক-শান্ত ও অনুভূতিপ্রবণ। কিন্তু বাইরের দিকে তারা একটা রুক্ষ আবরণে পড়ে থাকে।

যারা চিৎপাত হয়ে ঘুমায়, তারা সবসময়ই খুব শান্ত। কিছুটা অলসও তারা। তবে খুব মিশুক। সবসময়ই হাসিখুশিতে মেতে থাকে আর অপরকে মাতিয়েও রাখে।

যারা আবার উল্টো হয়ে ঘুমায়, তারা স্বভাবে বন্ধুসুলভ। অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারি। এরা আবেগপ্রবণ ও অনুভূতিপ্রবণ।

যদি আপনি নাক ডাকেন, তাহলে কিন্তু বলতেই হচ্ছে যে আপনি খুবই অ্যাগ্রেসিভ। পান থেকে চুন খসলেই বিরক্ত হন। একটু অল্পতেই রেগে যান।

অনেকে আবার একই রকম ধরণে রোজের পর রোজ ঘুমাতে ভালোবাসে। আর ঠিকমতো সেই পজিশনে সেট না হলে কিছুতেই যেন ঘুম আসে না। জরিপ বলছে, আসলে তারা একটা নির্দিষ্ট ছকে জীবনকে পেতে অভ্যস্ত। চেনা গণ্ডির বাইরে কিছু হলেই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।


ওষুধ কেনার সময় ফার্মাসিস্টের কাছে ছয়টি বিষয় জেনে নিন



কোনো রোগের কারণে আপনার চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হয়েছে।

আর চিকিৎসক যদি কোনো ওষুধ দেন তাহলে তা কেনার সময় ব্যবহার পদ্ধতি সঠিকভাবে জেনে নিন। ওষুধ বিক্রির সময় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া ফার্মাসিস্টের দায়িত্ব। আপনি যে রোগের কারণেই ওষুধ নেন না কেন, ওষুধ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি বিষয়, যা ফার্মাসিস্টের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

১. ওষুধটি কখন গ্রহণ করতে হবে?
কোনো ওষুধ গ্রহণ করার নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। এক্ষেত্রে খালি পেটে ওষুধ গ্রহণের সঙ্গে ভরা পেটে ওষুধ গ্রহণের রাত-দিন পার্থক্য রয়েছে। তাই এ বিষয়টি হেলাফেলা করা উচিত নয়।

২. ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী রয়েছে?
যে কোনো ওষুধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। এক্ষেত্রে যদি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হবে। আর ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো জেনে রাখতে হবে আগে থেকেই।

৩. অন্য ওষুধের সঙ্গে সেবন করায় কোনো সমস্যা হবে কি?
আপনার শুধু একটিই ওষুধ নয় আরো ওষুধ থাকতে পারে সেবনের জন্য। আর এসব ওষুধ অন্য কোনোটির সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে, যা আগেভাগেই জেনে রাখা উচিত।

৪. কোনো খাবার বা পানীয় ত্যাগ করতে হবে কি?
প্রত্যেক ওষুধই সাবধানে গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে ওষুধটি যেন অন্য কোনো খাবার ও পানীয়ের সঙ্গে বিক্রিয়া না করে। এ কারণে আপনি যে ওষুধ গ্রহণ করছেন তার সঙ্গে কোনো খাবার বা পানীয়ের বিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, জেনে নিন।

৫. ওষুধের একটি ডোজ বাদ পড়লে কী করতে হবে?
আপনার ওষুধটি নিয়মিত সেবন করার গুরুত্ব জেনে নিন। ওষুধটি কোনো একবার বাদ পড়লে পরবর্তীতে কী করতে হবে, তা এ সময় জেনে নিন।

৬. ওষুধটি কতদিন সেবন করতে হবে?

কোনো ওষুধ সেবন করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। প্রত্যেক রোগীরই উচিত ওষুধ গ্রহণের এ সময়সীমা জেনে নেওয়া।

Wednesday, 4 May 2016

শিশুদের কিছু সুন্দর নাম



ছেলে শিশুর আরো কিছু সুন্দর নাম

উসামা (أسامة-সিংহ), হামদান (প্রশংসাকারী), লাবীব (لبيب-বুদ্ধিমান), রাযীন (رزين-গাম্ভীর্যশীল), রাইয়্যান (ريَّان-জান্নাতের দরজা বিশেষ), মামদুহ (مَمْدُوْح-প্রশংসিত), নাবহান (نَبْهَان- খ্যাতিমান), নাবীল (نَبِيْل-শ্রেষ্ঠ), নাদীম (نَدِيْم-অন্তরঙ্গ বন্ধু), ইমাদ (عِمَاد- সুদৃঢ়স্তম্ভ), মাকহুল (مكحول-সুরমাচোখ), মাইমূন (مَيْمُوْن- সৌভাগ্যবান), তামীম (تَمِيْم-দৈহিক ও চারিত্রিকভাবে পরিপূর্ণ), হুসাম (حُسَام-ধারালো তরবারি), (بَدْرٌ-পূর্ণিমার চাঁদ), হাম্মাদ (حَمَّادٌ-অধিক প্রশংসাকারী), হামদান (حَمْدَانُ-প্রশংসাকারী), সাফওয়ান (صَفْوَانُ-স্বচ্ছ শিলা), গানেম (غَانِمٌ-গাজী, বিজয়ী), খাত্তাব (خَطَّابٌ-সুবক্তা), সাবেত (ثَابِتٌ-অবিচল), জারীর (جَرِيْرٌ- রশি), খালাফ (خَلَفٌ- বংশধর), জুনাদা (جُنَادَةُ- সাহায্যকারী), ইয়াদ (إِيَادٌ-শক্তিমান), ইয়াস (إِيَاسٌ-দান), যুবাইর (زُبَيْرٌ- বুদ্ধিমান), শাকের (شَاكِرٌ-কৃতজ্ঞ), আব্দুল মুজিব (عَبْدُ الْمُجِيْبِ- উত্তরদাতার বান্দা), আব্দুল মুমিন (عَبْدُ الْمُؤْمِنِ- নিরাপত্তাদাতার বান্দা), কুদামা (قُدَامَةُ- অগ্রণী), সুহাইব (صُهَيْبٌ-যার চুল কিছুটা লালচে) ইত্যাদি।




মেয়ে শিশুর আরো কিছু সুন্দর নাম

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীবর্গ তথা উম্মেহাতুল মুমিনীন এর নাম: খাদিজা (خَدِيْجَةُ), সাওদা (سَوْدَةُ), আয়েশা (عَائِشَةُ), হাফসা (حَفْصَةُ), যয়নব (زَيْنَبُ), উম্মে সালামা (أُمِّ سَلَمَة), উম্মে হাবিবা (أُمِّ حَبِيْبَة), জুওয়াইরিয়া (جُوَيْرِيَةُ), সাফিয়্যা (صَفِيَّةُ)। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যাবর্গের নাম: ফাতেমা (فَاطِمَةُ), রোকেয়া (رُقَيَّةُ), উম্মে কুলসুম (أُمُّ كلْثُوْم)। আরো কিছু নেককার নারীর নাম- সারা (سَارَة), হাজেরা (هَاجِر), মরিয়ম (مَرْيَم)।



মেয়েদের আরো কিছু সুন্দর নাম-

ছাফিয়্যা (صَفِيَّةُ), খাওলা (خَوْلَةُ), হাসনা (حَسْنَاء-সুন্দরী), সুরাইয়া (الثُّرَيا-বিশেষ একটি নক্ষত্র), হামিদা (حَمِيْدَةُ-প্রশংসিত), দারদা (دَرْدَاءُ), রামলা (رَمْلَةُ– বালিময় ভূমি), মাশকুরা (مَشْكُوْرَةٌ-কৃতজ্ঞতাপ্রাপ্ত), আফরা (عَفْرَاءُ-ফর্সা)।

Tuesday, 3 May 2016

১২ টি অসুখের ওষুধ শশা



শশা একটি উপকারি সবজি। শশা রান্না ছাড়াই সালাদ হিসেবে বা এমনিই খাওয়া যায়। এই শশার ভেষজ গুনের শেষ নেই। সৌন্দর্য পিপাসু নারী-পুরুষেরা শশা ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে শশার বিকল্প নেই। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক শশার গুণাগুণ।


পানিশূন্যতা দূর করে

সারাদিন কাজের ব্যস্ততার কারণে পর্যাপ্ত পানি পান করা হয় না অনেকেরই। এই পানি ঘাটতি দূর করতে শশার তুলনা হয় না। শশায় ৯০ ভাগ পানি থাকায় শরীরের প্রয়োজনীয় পানির অভাব দূর করে শরীর সুস্থ রাখে।


শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

নিয়মিত শশা খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তাদের জন্য খুবই উপকারী শশা।


শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে

শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে শরীর ভালো রাখে, সেইসঙ্গে কিডনি থাকে সুস্থ।


ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে

শশা শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন ‘এ’ ‘বি’ এবং ‘সি’র চাহিদা পূরণ করে শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে। শশার সবচেয়ে ভালো পুষ্টি পেতে হলে সবুজ শাক এবং গাজরের সঙ্গে খাওয়া ভালো।

ত্বকের বন্ধু

শশায় উচ্চমানের পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং সিলিকন রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। শশা নখ ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়। চুল তাড়াতাড়ি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।


হজমে সহায়তা করে ও ওজন কমায়

শশাতে রয়েছে প্রচুর পানি এবং অল্প পরিমান ক্যালরি। ফলে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য শশা আদর্শ খাবার। শশা খেলে খাবার দ্রুত হজম হয়। প্রতিদিন শশা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।


চোখ ভালো রাখবে

শশা গোল গোল করে কেটে চোখের ওপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট দিয়ে রাখলে চোখের ক্লান্তি দূর হয়, সেইসঙ্গে চোখের জ্বালাপোড়া দূর করে চোখ ভালো রাখে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে

শশা মুখের জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। শশায় বিদ্যমান ফাইটোক্যামিকেলস মুখের ভেতরের জীবানুকে ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।


মাথাব্যথা দূর করে

যাদের সকাল বেলা মাথাব্যথা হয় তারা যদি সকালে উঠেই কয়েক টুকরা শশা খান তাহলে তা দূর হতে পারে।



শশার উপকারিতা :


শরীরকে ঠান্ডা রাখতে : ফাইবার ও ফ্লুইডে সমৃদ্ধ শশা শরীরে ফাইবার ও ওয়াটার ইনটেক বাড়াতে সাহায্য করে। গরমের দিনে শশার রসের সাথে সেলেরিরি জুস মিশিয়ে খেতে পারেন। এটা শরীরের তাপমাত্রা নরমাল রাখতে সাহায্য করবে।



ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রনে : 

ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাশিয়াম, ম্যাগনোশিয়াম ও ফাইবার হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে শশা। তাছাড়া শশায় রয়েছে স্টেরল নামের একধরণের উপাদান যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। স্টেরল মুটিয়ে যাওয়া রোধ করতেও সাহায্য করে।



কমে যায় অ্যাসিডিটি :

হজম ও কনস্টিপেশনের সমস্যার সমাধানে ডায়েটে শশা রাখতে পারেন। কারণ শশাতে আছে এরেপসিন নামের আনজাইম। আলসার গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও তাজা শশার রস উপকারী। শরীরের পিএইচ সমতা বজায় রাখে শশা।

সুস্থ থাকে বৃক্ক : 

বৃক্ক(কিডনি), ইউরিনারি ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় ডায়েটে শশা রাখতে পারেন। শশা বা শশার রস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও উপকারী।


টিস্যুর উন্নয়নে : 

ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও শশা খুব ভাল কাজ করে। ত্বক পরিষ্কার রাখতে শশার স্লাইস, জুস প্রভৃতি বেশ কাজে দেয়। শশায় উপস্থিত সিলিকা মালস, কার্টিলেজ, লিগামেন্টের কানেকটিভ টিস্যু গড়ে ওঠে। খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ শশা নখ, দাঁত ও মাড়ির জন্য ভাল।

Monday, 2 May 2016

আনন্দময় বাস ভ্রমণে বমি থেকে বাঁচতে করণীয়



ভ্রমণ অনেক আনন্দের, অনেক রোমাঞ্চকর একটি বিষয়। কিন্তু অনেকেই বাস বা গাড়িতে বমি হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে দূরের ভ্রমণের সময় অনেকেই মোশন সিকনেস বা বমি বমি ভাব হওয়ার সমস্যায় পড়ে থাকেন।
এই অনুভূতিটি খুবই বিরক্তিকর এবং অস্বস্তিকর। এই সমস্যার কারণে অনেকেই দূরে ভ্রমণ করতে ভয় পান। গাড়ির গতির কারণে কানের অভ্যন্তরীণ ভেসটিবুলার অংশে যে তরল থাকে তা নাড়িয়ে দিয়ে থাকে। যার কারণে বমি বমি ভাবের সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই অস্বস্তিকর বমি বমি ভাব দূর করে ফেলুন সহজ কিছু উপায়ে।

১। আদা
কয়েক টুকরা আদা কুচি দুইকাপ পানিতে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এরসাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। ভ্রমণের আধঘন্টা আগে এটি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদার রস এবং এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ভ্রমণের আগে পান করুন।

২। অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এবং এক টেবিল চামচ মধু এক কাপ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। ভ্রমণের আধাঘণ্টা আগে এটি আস্তে আস্তে পান করুন। এটি আপনার পাকস্থলিকে সুস্থ করে বমি বমিভাব দূর করে থাকে। আপনার যদি ভ্রমণের সময় বমি চলে আসে তবে আধা কাপ পানিতে এক চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন। এটি সাথে সাথে আপনার বমি বমি ভাব প্রতিরোধ করে দিবে।

৩। লেবু
লেবু এবং লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড রয়েছে যা বমি বমিভাব দূর করতে সাহায্য করে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এরসাথে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে নিন। ভ্রমণের সময় অল্প অল্প করে এটি পান করুন। ভ্রমণের সময় এক টুকরো লেবু মুখে রাখতে পারেন।

৪। যষ্টিমধু
যষ্টিমধু আপনার বমি বমি ভাব দূর করে দিতে সাহায্য করে থাকে। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান বমি বমি ভাব দূর করে ক্লান্তি দূর করে থাকে। আধা গ্লাস পানির মধ্যে এক চা চামচ যষ্টিমধু মিশিয়ে জ্বাল দিন। পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন। তারপর ছেঁকে এটি ভ্রমণের আগে পান করে নিন। ভ্রমণের সময় বমি বমি ভাব রোধে আপনি কিছুটা যুষ্টিমধু মুখে দিয়ে রাখতে পারেন।


টিপস:
১। ভ্রমণের আগে চর্বি বা তৈলাক্ত এবং মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
২। যেদিকে ভ্রমণ করবেন তার বিপরীত দিকে বসা থেকে বিরত থাকুন।
৩। বাসের পিছনের সিটে বসা এড়িয়ে চলুন।
৪। বেশি খারাপ লাগলে চোখ বন্ধ করে রাখুন।
৫। গাড়ির জানালাটি খোলা রাখুন এতে ফ্রেশ ঠান্ডা বাতাস গাড়িতে প্রবেশ করার সুযোগ পাবে।

Sunday, 1 May 2016

ধ্বংস করে এবং ব্রণের দাগ দূর করে



ব্রণ দূর করে গ্রিন টি

গ্রিন টি মুখের ব্রণ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি ত্বকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে, যা ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে।

গ্রিন টির সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে মুখে লাগালে ব্রণ দূর হওয়ার পাশাপাশি এর দাগও দূর হবে সহজেই।

কোন তিন উপায়ে গ্রিন টি ত্বকে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে। প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ দূর করতে চাইলে উপায়গুলো দেখে নিতে পারেন।

প্রথম পদ্ধতি

যা যা লাগবে : গ্রিন টি ও লেবুর রস। এই প্যাক ত্বকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে, যা ব্রণের ব্যাকটেরিয়া 

যেভাবে ব্যবহার করবেন : একটি বাটিতে দুই চা চামচ গ্রিন টির পানি নিয়ে এর মধ্যে এক টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। একটি তুলার বলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে পুরো মুখে ভালো করে লাগান। সারা রাত এভাবে রেখে দিন। সকালে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

দ্বিতীয় পদ্ধতি

যা যা লাগবে : গ্রিন টি ও ডিমের সাদা অংশ। এই প্যাক ত্বকের ব্রণ সহজেই দূর করে। এবং ডিমের প্রোটিন ত্বক নরম ও মসৃণ করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন : একটি বাটিতে দুই টেবিল চামচ গ্রিন টির পানির সঙ্গে একটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ভালো করে মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

তৃতীয় পদ্ধতি

যা যা লাগবে : গ্রিন টি ও টক দই। এই প্যাক ত্বকে অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে, যা ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ব্রণের দাগ দূর করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন : একটি গ্রিন টি ব্যাগ পানিতে কয়েক মিনিট গরম করুন। এবার এর পাতা প্যাকেট থেকে বের করে নিন। একটি বাটিতে দুই চা চামচ টক দই নিয়ে এর সঙ্গে গ্রিন টির ভেজানো পাতা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Friday, 29 April 2016

গোলমরিচ খুশকি দূর করে!

অনলাইন ডেস্ক:

গরমের সময় খুশকির সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। আর ঘামও অনেক বেশি হয়। এর ফলে চুল পরতে শুরু করে। কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা সহজেই এই খুশকির সমস্যার সমাধান করে। জানতে চান সেগুলো কী কী? তাহলে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগের এই তালিকাটি একবার দেখে নিন।


গোলমরিচ
প্রাকৃতিক এই উপাদানটি খুশকির উপাদান ধংস করতে বেশ কার্যকর। এছাড়া এটি মাথার তালুর ব্রণও দূর করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন
২ টেবিল চামচ গোলমরিচ ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। পানির সঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন।

ভিনেগার
ভিনেগার মাথার তালুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসের কাজ করে। এটি খুশকি দূর করার পাশাপাশি মাথার ত্বকের মরা কোষও দূর করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি কাপে ২ টেবিল চামচ ভিনেগার নিন। এবার একটি তুলার বলে ভিনেগার নিয়ে মাথার তালূতে লাগান। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

নারকেল তেল ও লেবুর রস
লেবুর রসের প্রাকৃতিক এসিড খুশকির জীবানু ধংস করে। আর নারকেল তেল মাথার ত্বককে নরম রাখে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন
২ টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোটা লেবুর রম মিশিয়ে মাথার ত্বকে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

প্রচণ্ড এ গরমে নিজেকে ঠাণ্ডা রাখতে ১২ উপায়

প্রচন্ড গরম। রোদ যেন পুড়িয়ে দিচ্ছে চারপাশ। এই গরমে না ভাল লাগে কাজ করতে, না বেড়াতে যেতে, না পড়াশোনা করতে। গরমের প্রভাবে ঠান্ডা লাগা, মাথা ব্যথা, সারাক্ষণ ঘামতে থাকা, ঘামাচি ইত্যাদি সমস্যা তো আছেই।

হাঁপিয়ে ওঠা নগর জীবনে শান্তি বলে যেন আর কিছু নেই। কিন্তু এর মাঝেও আছে অফিস, রান্না-বান্না, নিত্যদিনের অনেক কাজ যা আপনাকে রোদে নিয়ে যাবে, আগুনের কাছে নিয়ে যাবে, বাড়তি পরিশ্রম করাবে। তাই মানিয়ে নিয়ে এর মাঝেই ভাল থাকতে হবে।
কীভাবে নিজেকে ঠান্ডা রাখবেন এই গরমে, আসুন জেনে নিই টিপসগুলো-



১। পানি পান করুন
গরমে নিজেকে ঠান্ডা রাখতে বেশী বেশী পানি পান করুন। তবে খুব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলুন। হালকা ঠান্ডা পানি পান করুন। পানির বদলে শরবত, ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন। ঘামের সাথে আমাদের শরীর থেকে সোডিয়াম, ক্লোরাইডসহ প্রয়োজনীয় লবণ বের হয়ে যায়। ফলে আমরা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ি। এমন পানীয় পান করুন যাতে এই উপাদানগুলো বিদ্যমান থাকে। সফট ড্রিংক্স এড়িয়ে চলুন।

২। পোশাক নির্বাচনে সাবধানী হন
হালকা রং এর পোশাক পরুন। গাঢ় রং এর কাপড় তাপ ধরে রাখে। সুতি কাপড় বেছে নিন। সিল্ক বা ভারী কাপড়গুলো পাঠিয়ে দিন আলমারির পেছনে। ঢিলেঢালা কাপড় পরুন, এর মাঝেই বের করে নিন আপনার স্টাইল। কিন্তু সবার উপরে প্রাধান্য দিন আপনার স্বাচ্ছন্দ্যকে।

৩। খোলামেলা জুতা পরুন
ঢাকা জুতায় পা বেশী ঘামে, জ্বলুনী হয়। খোলামেলা, স্যান্ডেল ধরণের জুতা বেছে নিন। আপনি যদি কর্পোরেট অফিসে চাকরী করেন বা আপনার কাজের সাথে যদি স্যান্ডেল মানানসই না হয়, সেক্ষেত্রে জুতা এক জোড়া অফিসে রেখে দিতে পারেন। কর্পোরেট ডিলিংস এর সময় সেই জুতা পরে নিলেন। অন্য সময়টা কাটিয়ে দিলেন স্যান্ডেলে।

৪। চুল
ছেলেরা চুল ছোট করে কাটতে পারেন। এই গরমে ঘাড়ে, কানের কাছে চুল খুবই বিরক্তিকর। তাই চুল যত ছোট করে কাটবেন ততই ভাল। ছোট চুলের অনেক রকম স্টাইল পাবেন অনলাইনে। আপনার স্টাইলও বজায় থাকলো আবার গরমে শান্তিও পেলেন। মেয়েরাও চুল কেটে ফেলতে পারেন। অথবা উঁচু করে ঝুটি বা বেনী করে আটকে ফেলতে পারেন সব চুল।

৫। সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি ত্বক পুড়িয়ে ফেলে, বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের সম্ভাবনা। তাই অবশ্যই ভাল মানের সানস্ক্রিন ব্যাবহার করুন। ঘামে ধুয়ে গেলে আবার হাত মুখ ধুয়ে সানস্ক্রিন লাগান। কোনভাবেই এই তীব্র রোদ গেয়ে লাগতে দেবেন না।

৬। সানগ্লাস পরুন
রোদে বের হয়েছেন, চোখ ধাধানো আলো আর তাপে সাথে সাথে মাথা ধরে গেল! এমন হয় প্রায়ই। সানগ্নলাস পরুন। সানগ্লাস আপনার চোখকে শান্তি দেবে। আপনি যদি আগে থেকেই চশমা ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সানগ্লাসেও পাওয়ার অ্যাডজাস্ট করে নিন।

। ছাতা বা হ্যাট
অবশ্যই ছাতা নিন সাথে। নিদেনপক্ষে একটি হ্যাট। আপনি যতই ফুরফুরে কাপড় পরুন না কেন আর চুল উঁচিয়ে বাধুন না কেন সূর্য্য কিন্তু আক্রমণ করবেই। তাই নিজেকে যতটা পারুন ছায়ায় রাখুন।

৮। রান্নার সময় বদলে নিন
আমরা সাধারণত সকাল থেকে রান্না শুরু করি, ১২টা বেজে যায় শেষ করতে করতে। এই গরমে শুধু খাবারই নয় সেদ্ধ হয়ে যায় রাঁধুনিও। তাই রান্না করুন রাতে। রাতের রান্না পরদিন শুধু গরম করে খেতে পারেন। আর যারা চাকুরীজীবী তাদের হয়ত এভাবেই রান্না করতে হয়। রান্নার সময় বারবার পানি পান করুন, ফ্যানের বাতাসে জিরিয়ে নিন একটু পর পর।

৯। ঠান্ডা খাবার খান
এমন অনেক খাবার আছে যা শরীরকে ঠান্ডা করে। যেমন, তরমুজ, ডাবের পানি, বিভিন্ন মৌসুমী ফল। এগুলো বেছে নিন আপনার খাবারে। জাংক ফুড থেকে বিরত থাকুন। শশা, টমেটো সহ আরও উপকরণে বানিয়ে ফেলুন রকমারি সালাদ। পেট ঠান্ডা তো দুনিয়া ঠান্ডা!

১০। ছোট ফ্যান ব্যবহার করুন
নিজের জন্য আলাদা একটা ছোট ফ্যান কিনুন। ঘরের যে কোনাতেই বসুন না কেন ফ্যান ছেড়ে নিন। ছোট ছোট চার্জার ছোট ফ্যান কিন্তু সহজেই কিনতে পারবেন নিউমার্কেটে।

১১। বার বার গোসল করুন
অন্য সময় আপনার অভ্যাস যাই থাকুক না কেন এই গরমে দিনে যতবার সম্ভব গোসল নিন। ধূলা-বালি, ঘাম আর তার সাথে বেড়ে ওঠা জীবাণু আপনাকে নানান রোগের সংক্রমণে ফেলতে পারে। গায়ে ছত্রাক হতে পারে। তাই গোসল করুন। আর এতে শরীরের তাপও কমবে।

১২। কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করুন
ঘরের বাতি কম জ্বালান। সম্ভব হলে বন্ধ রাখুন। সবসময় জানালাগুলো খোলা রাখুন, যাতে বাতাস চলাচল করে। ওভেন, হিটার, আয়রন ইত্যাদি বৈদ্যুতিক পণ্য কম কম চালান। ঘরের গরম কমবে। 

(আফসানা সুমী, প্রিয় ডট কম)

টুথব্রাশের যেসব ভয়ংকর দিক আপনি জানেন না


টুথব্রাশ আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রতিদিন অন্তত দুইবেলা কাজে লাগাই আমরা এটি। তাও যেন তেন কাজে না। আমাদের হাস্যোচ্ছল মুখের সৌন্দর্য্য বর্ধক দাঁতকে ঝকঝকে রাখতে, সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহার হয় এটি।

কিন্তু পরম যত্নে নিজের মুখের ভেতরে গলিয়ে দিচ্ছেন যে ব্রাশটি, জানেন কি তাঁর মধ্যে বাসা বেধেছে কত জীবাণু? আসুন জানি আরও দরকারি কিছু তথ্য-





আপনি কি জানেন আপনার টুথব্রাশে কী আছে?
আপনার টুথব্রাশটি শত মিলিয়ন ব্যাক্টেরিয়ার আবাসস্থল। এর মধ্যে রয়েছে ই. কলি এবং স্ট্যাফিলক্কি ব্যাকটেরিয়া। এই তথ্যটি পাওয়া গেছে ইংল্যান্ডের মেনচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায়। বার্মিংহামের আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা যায়, গাদ জীবাণুগুলো আছে আপনার টুথব্রাশেও। আপনার মুখও অসংখ্য ব্যাকটেরিয়ায় ভর্তি। তাই আপনি হয়ত অসুস্থ্য হয়ে পড়বেন না। তবে একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে টুথব্রাশটি পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরী।

মুখে আছে ব্যাকটেরিয়া
প্রাচীন ডমিনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর গেইল ম্যক কম্বস, আর এইচ ডি, এম এস বলেন, আমাদের মুখে রোজ শত শত মাইক্রোর্গানিজম জন্মে। কিন্তু এর কোনকিছুই চিন্তার বিষয় নয়, যতক্ষণ না মুখের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে চলে যায়।

দাঁত ব্রাশ করা ক্ষতিকর হতে পারে
ইলেকট্রিক টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে তা জীবাণুদের মাড়ির ভেতরে পুশ করতে থাকে। Oklahoma State University Center for Health Sciences এর ডেন্টিস্ট্রি এবং প্যাথলজির প্রফেসর আর টমাস এই তথ্য দেন। মুখে কিছু জীবাণু থাকে স্বাভাবিক। কিন্তু কোনভাবেই একজনের টুথব্রাশ অন্য কারও ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। চিন্তার বিষয় হল, যখন আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তখন জীবাণুরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং দাঁতের ক্ষতি করে।

কমোডের কাছে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করা ঠিক নয়
আমাদের টয়লেট গুলোয় দেখা যায়, কমোডের পাশেই থাকে বেসিন। সেখানেই আমরা ব্রাশ রাখি। প্রতিবার আমরা কমোড ব্যবহারের পর ফ্লাশ করি এবং সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়া বাতাসে উড়ে চলে আসে আপনার টুথব্রাশ পর্যন্ত। আপনি নিশ্চয়ই তা মুখে পুরতে চাইবেন না? কিন্তু সেটাই আপনি করছেন নিয়মিত। আপনার টুথব্রাশটি বদ্ধ কোন কেবিনেট বা বক্সে রাখুন। আর অবশ্যই ফ্লাশ করার সময় টয়লেট সীটের ঢাকনাটি নামিয়ে দিন।

টুথব্রাশ হোল্ডার
আপনি যে হোল্ডারে টুথব্রাশ রাখছেন সেটি ব্যাকটেরিয়া ধরে রাখে আর এই ব্যাকটেরিয়া আসে টয়লেট ফ্লাশ থেকেই। জাতীয় স্যানিটেশন ফাউন্ডেশন (NSF) এর একটি স্টাডিতে দেখা গেছে, টুথব্রাশ হোল্ডার বাসার অন্য সকল জিনিসের তুলনায় ৩ গুণ বেশী জীবাণু ধারণ করে। এমনকি তা রান্নাঘরের সিঙ্ক, ডিস স্পঞ্জকেও পেছনে ফেলে। মনে করে নিয়মিত টুথব্রাশ হোল্ডারটি পরিষ্কার করুন।

কীভাবে টুথব্রাশটি সংরক্ষণ করবেন?
টয়লেট থেকে টুথব্রাশ সরিয়ে এবং টুথব্রাশ হোল্ডারটি নিয়মিত পরিষ্কার করে আপনি অনেকটা জীবাণুই দূর করে ফেলতে পারবেন। আরও কিছু জরুরী টিপস দেওয়া হল এখানে-

১। প্রত্যেকবার ব্যবহারের আগে ভাল করে ধুয়ে নিন ব্রাশটি।
২। ব্রাশটি ভাল করে শুকাতে দিন, পানি ঝরে যত শুষ্ক থাকবে ব্রাশটি তত থাকবে জীবাণুমুক্ত।
৩। ব্রাশ ক্যাপ ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার টুথব্রাশটি ভেজা থেকে যাবে, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাড়তে থাকবে।
৪। আপনার টুথব্রাশটি দাঁড় করিয়ে রাখুন। নীচে রাখবেন না।
৫। হোল্ডারে রাখার সময় খেয়াল করুন, আর কারও ব্রাশের সাথে যেন না লাগে।
৬। ভুলেও অন্যের ব্রাশ ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে এক বেলা দাঁত ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন, কিন্তু নিজের আলাদা ব্রাশ দিয়েই ব্রাশ করুন। (লিখেছেন, আফসানা সুমী,প্রিয়.কম)

রোদপোড়া দূর করতে

অনলাইন ডেস্ক:

ঘর থেকে বের হওয়ার আগে যেমন ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। তেমনি ঘরে ফিরেও দরকার বিশেষ যত্ন। কারণ রোদপোড়া ত্বকের ক্ষতি দ্রুত সারিয়ে তুলতে পারে তাৎক্ষণিক যত্ন।
রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে রোদপোড়া ত্বকের কিছু বিশেষ যত্নের বিষয় উল্লেখ করা হয়।



– দিনে অন্তত দু’বার গোসল করুন। বিশেষ করে কড়া রোদ থেকে ঘরে ফিরে গোসল করা উচিত।
– আলু পিষে নিয়ে পোড়া ত্বকের উপর লাগিয়ে রাখুন।
– পোড়াত্বকের জ্বালাপোড়া উপশমে উপযোগী ওটমিল।
– অ্যালোভেরার জেল জ্বালাভাব কমাতে সাহায্য করে। তাই অ্যালোভেরার জেল ফ্রিজে সংগ্রহ করা যেতে পারে। রোদে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের উপর এই জেল ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যাবে।
– ঠাণ্ডা দুধে তুলা ভিজিয়ে ত্বকে লাগালেও পোড়াভাব কমে আসবে।
– শসা ব্লেন্ডারে মিহি করে নিয়ে ত্বকের উপর দিয়ে রাখুন। ত্বক ঠাণ্ডা হবে এবং দ্রুত সেরে উঠবে।
– লাল চায়ে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বকের উপর খানিকটা ঠাণ্ডা লাল চায়ের তরল ছড়িয়ে দিলেও রোদপোড়া ত্বকে আরাম পাওয়া যাবে।
– পুদিনা প্রাকৃতিকভাবে ত্বক বা শরীর ঠাণ্ডা করতে বেশ উপযোগী এবং পরিচিত। এই গরমে পুদিনার শরবত খাওয়া বেশ উপকারী।
– ভিনিগারে তুলা ভিজিয়ে আক্রান্ত ত্বকে ব্যবহারেও পোড়াভাব কমে আসবে।
– প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো, এটা কে না জানে। তাই রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি যেন কম হয় সে জন্য ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

ঠোঁট ভালো রাখতে চাইলে

অনলাইন ডেস্ক:

দেহের সংবেদনশীল ত্বকের মধ্যে ঠোঁট একটি। ঠোঁটের ত্বকের গঠন-প্রকৃতিও ত্বকের অন্যান্য অংশের থেকে আলাদা। তাই ঠোঁট সুন্দর ও ভালো রাখতে কিছু বাড়তি সচেতনতা জরুরি।
সৌন্দর্য বিকাশে ঠোঁটের ভূমিকা অনেক। খাওয়া, কথা বলা ও পারিপার্শ্বিক আকর্ষণ বিনিময়ের সময় ঠোঁট ব্যবহৃত হয় বলে এর গুরুত্ব আরো বেশি। ঠোঁটের সামান্য সমস্যাও অবহেলা করা উচিত নয়।

বিভিন্ন সমস্যা থেকে ঠোঁটকে মুক্ত রাখতে এবং ঠোঁটের পরিচর্যার জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হলো :
• ঠোঁট ভালো রাখতে তীব্র রোদে বেশি ঘোরাঘুরি করা যাবে না। প্রয়োজনে রোদে কাজ করার সময় ছাতা, ক্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
• আবহাওয়া শুষ্ক হলে ভ্যাসলিন, গ্লিসারিন ঠোঁটে ব্যবহার করতে হবে। এতে ঠোঁটের শুষ্কতা, রুক্ষতা এবং ফেটে যাওয়া দূর হয়ে ঠোঁট নরম ও মোলায়েম হবে।
• সিগারেট, পান, সুপারি, গুল, জর্দা ইত্যাদি যতদূর সম্ভব পরিহার করতে হবে।
• দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ানো, নখ দিয়ে ঠোঁটের চামড়া টানা, জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট চোষা—এ ধরনের অভ্যাস থাকলে সেগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
• যেকোনো খাবার বা পানীয় অতিরিক্ত গরম অবস্থায় কখনো খাওয়া উচিত নয়, গ্রহণযোগ্য মাত্রায় ঠান্ডা করে খাওয়া উচিত।
•ঠোঁটে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। যেমন : ফুলে যাওয়া, ব্যথা, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া ইত্যাদি।
• সামনের দিকে ধারালো বা আঁকাবাঁকা, আসল বা কৃত্রিম দাঁত থাকলে তা একজন ডেন্টাল সার্জনকে দিয়ে ঠিক করে নিতে হবে।
• ঠোঁটের পাতলা সংবেদনশীল ত্বককে সব সময় আঘাত থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এগুলো করলে ঠোঁট ভালো রাখা সম্ভব।
-ntv

গোসলের সময় চুলের ক্ষতি করে যে ১০ অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক:

চুলকে পরিষ্কার ও ভালো রাখতে ধুতে হয়। তবে গোসলের সময় ধোয়ার কিছু অভ্যাস চুলের ক্ষতি করে। এতে উপকারের বদলে অপকারই বেশি হয়।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে গোসলের সময় যেসব অভ্যাস চুলের ক্ষতি করে, সেগুলোর কথা।



অভ্যাস-১
শ্যাম্পু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে চুল ভালোভাবে ভিজিয়েছেন। অনেকে ভালোভাবে না ভিজিয়েই চুলে শ্যাম্পু করেন। এতে চুলের ক্ষতি হয়। চুল ভালোভাবে পানি দিয়ে ভেজালে শ্যাম্পু করার পর অনেক ফেনা হয়। এতে শ্যাম্পু ভালোভাবে স্ক্যাল্পে পৌঁছে।

অভ্যাস-২
শ্যাম্পু চুলে সরাসরি না লাগানোর পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শ্যাম্পুর মধ্যে থাকা উচ্চ পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থগুলো চুলের ক্ষতি করে। এ থেকে রেহাই পেতে শ্যাম্পুর মধ্যে একটু পানি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

অভ্যাস-৩
যে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন, সেগুলো আপনার চুলের সঙ্গে মানানসই—এ ব্যাপারে নিশ্চিত হোন। সব ধরনের পণ্য সব চুলের সঙ্গেই মানায় না। ভুল শ্যাম্পু ব্যবহারে চুলের ক্ষতি হতে পারে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হোন।

অভ্যাস-৪
কন্ডিশনার কখনো স্ক্যাল্পে লাগাবেন না। কেবল চুলে কন্ডিশনার মাখুন। স্ক্যাল্পে কন্ডিশনার দিলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। এতে খুশকি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অভ্যাস-৫
প্রতিদিন চুল ধোবেন না। এতে চুলের গ্রন্থিকোষ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। চুল পড়া শুরু হয়। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন চুল ধোন।

অভ্যাস-৬
অনেক বেশি শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার চুলে ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হয়। সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পু ব্যবহার করাই ভালো।

অভ্যাস-৭
খুব বেশি গরম পানি দিয়ে ধোয়াও চুলের ক্ষতি করে। এতে চুল শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। গরম পানি চুলের স্বাস্থ্যকর কোষের ক্ষতি করে। হালকা গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন ধোয়ার সময়।

অভ্যাস-৮
শ্যাম্পু করার পর ভালোভাবে চুল ধুয়েছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত হোন। ভালোভাবে না ধুলে খুশকি হতে পারে এবং চুল পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

অভ্যাস-৯
চুল ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে মোছার সময় জোরে ঘষবেন না। জোরে ঘষলে গ্রস্থিকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চুল পড়ে। তাই মোছার সময় আলতোভাবে মুছুন।

অভ্যাস-১০
ভেজা অবস্থায় চুল আঁচড়াবেন না। এতে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটি চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে।

চুলে তেল দেওয়া ভালো না খারাপ?

অনলাইন ডেস্ক:

সেই আদিযুগ থেকে নারীরা চুলে তেল ব্যবহার করে আসছে। ঘরোয়া এই পদ্ধতিটি মা-দাদিদের কাছ থেকেই নারীদের শেখা। আমরা সবাই জানি, চুল ঘন ও ঝলমলে করতে তেল বেশ কার্যকর। কিন্তু সত্যিই কী তেল চুলের জন্য উপকারী? এ বিষয়ে চুল বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে আইডিভা ওয়েবসাইটে।



ভালো না খারাপ?
বেঙ্গালুরুর অ্যাপোলো হসপিটালের ড. কেভি হারিশ বলেন, ‘খারাপ আবহাওয়া, তাপ ও সূর্যের রশ্মির বিকিরণ থেকে চুলকে রক্ষা করে তেল।’ তিনি মনে করেন, ‘তেল হচ্ছে এমন একটি পিচ্ছিল পদার্থ যা ময়লা-ধুলাবালি ও রোদ থেকে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে চুল ভালো রাখে।’ তাই ড. হারিশের মতে, তেল চুলের জন্য খুবই উপকারী।
তেল আসলে চুলে কী করে?
‘তেল মূলত চুলের আবরণ হিসেবে কাজ করে, যাতে চুল নষ্ট না হয় এবং তেল চুলের গোড়া শক্ত করে। এ ছাড়া চুল ভেঙে যাওয়ার সমস্যারও সমাধান করে তেল’, বললেন চুল বিশেষজ্ঞ জাওয়েদ হাবিব।
বাজারে অনেক ধরনের তেল কিনতে পাওয়া যায়। একেকটি তেল একেক ধরনের চুলের জন্য কার্যকর। এই যেমন- শুষ্ক তুলের জন্য আমন্ড অয়েল উপকারী, আবার নারকেল তেল চুলের রুক্ষতা দূর করতে বেশ কার্যকর। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোনটি আপনার চুলের জন্য ভালো।
কীভাবে চুলে তেল ব্যবহার করবেন?
“চুলে তেল দেওয়া কোনো দীর্ঘ বা ব্যয়বহুল পদ্ধতি না। সপ্তাহের যেকোনো একদিন রুটিন করে চুলে তেল দিন যা আপনার জন্য খুব বেশি ঝামেলার হবে না’, বললেন ড. হারিশ। চুলে তেল মেখে সারারাতও রেখে দিতে পারেন আবার শ্যাম্পু করার ৩০ মিনিট আগেও তেল লাগাতে পারেন। দুটি পদ্ধতিই সমান উপকারী।
তেল ব্যবহারের সময় খুব বেশি গরম না করাই ভালো। হালকা গরম অথবা কক্ষ তাপমাত্রায় গরম থাকলে তেল বেশি কার্যকর হয়। ‘অতিরিক্ত গরম তেল মাথার তালুর জন্য ক্ষতিকর এবং এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো’, বললেন ড. হারিশ।

তিনটি উপাদানে দূর হবে চোখের নিচের কালো দাগ


অনলাইন ডেস্ক:

যতই মেকআপ করুন না কেন, চোখের নিচের কালো দাগের কারণে অনেক সময় চেহারা মলিন লাগে। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, অপর্যাপ্ত ঘুম, দুশ্চিন্তা ও ভুল ডায়েটের কারণে চোখের নিচে এই কালো দাগ পড়ে।

এই দাগ দূর করতে তিনটি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই-তে।



যা যা লাগবে

১. টমেটোর রস

২. লেবুর রস

৩. ময়দা

যেভাবে ব্যবহার করবেন

প্রথমে একটি বাটিতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ টমেটোর রস ও আধা চা চামচ ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন।

এই মিশ্রণ চোখের চারপাশে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার নরম তোয়ালে পানিতে ভিজিয়ে চোখের চারপাশ ভালো করে মুছে নিন। এরপর ময়েশ্চারাইজার দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন।

পরামর্শ

১. দিনে দুই থেকে তিনবার এই প্যাক চোখের চারপাশে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।

২. সব সময় টমেটো ও লেবুর সতেজ রস ব্যবহার করুন। প্যাক বানিয়ে ফ্রিজে রাখলে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়।

৩. নিয়মিত রাতে ঘুমানোর আগে এই প্যাক চোখের চারপাশে ব্যবহার করুন।

৪. বেশি করে পানি ও শাকসবজি খান।

৫. নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

ত্বক ও চুলের যত্নে মধু

অনলাইন ডেস্ক:

মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কম-বেশি জানি। এই মধুর গুণগুলোর মধ্যে প্রধান একটি গুণ হচ্ছে এটি ত্বক ও চুলের যত্নে বেশ কার্যকর। প্রাকৃতিক উপাদান বলে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। রূপসচেতন যে কারো কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান মধু। চলুন জেনে নিই ত্বক ও চুলের যত্নে মধু কতটা উপকারী-

মধু নতুন ব্রণ উঠতে বাধা দেয়। তাই যাদের খুব ব্রণের সমস্যা তাদের প্রতিদিন ১ চা চামচ মধু খাওয়ার সাথে সাথে ত্বকে মধু ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখা উচিত।




শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু খুব উপকারী। ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ দুধ ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ত্বক সুন্দর হয়।

বয়স কম দেখাতেও মধুর জুরি নেই। প্রতিদিন ত্বকে মধু লাগালে ত্বক টানটান থাকে।

সপ্তাহে ৪ দিন ১ চা চামচ মধু ও টম্যাটোর রস মিশিয়ে মুখে ২৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

মধু দিয়ে চুলের জন্য প্রাকৃতিক কন্ডিশনার বানানো যায়। মধুর সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে ৫-৭ মিনিট লাগিয়ে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে চুল উজ্জ্বল হয়।

সপ্তাহে ৫ দিন ৩ চা চামচ গোলাপ জল ও ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট শরীরের কালো স্থানগুলোতে লাগিয়ে রাখলে কালো দাগ কমতে থাকে।

মধু, দুধ ও দই মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ বানিয়ে ত্বকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখলে বলিরেখা পরবে না ত্বকে। এটি সপ্তাহে ৩ দিন।

চুল পড়ার সমস্যা দূর করতে একটি বাটির ২/৩ অংশ মধু ও ১/৩ অংশ পানি দিয়ে মিশিয়ে এটি চুলের গোড়ায় লাগান ও ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এবার বাকি মিশ্রণ পুরো চুলে লাগিয়ে নিন ভালো করে ও ৩ ঘন্টার জন্য রেখে দিন। এরপর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ বার করবেন।

১ চা চামচ কাজুবাদাম গুড়া, ১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে বৃত্তাকার গতিতে মুখে ম্যাসাজ করতে হবে ৫-১০ মিনিট। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে মুখ মসৃণ হবে। এটি শরীরের যে কোন অংশ মসৃণ করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

গোসলের পানিতে ২ কাপ দুধ, ১/৪ কাপ মধু, ৩ টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। এক্ষেত্রে পানি হাল্কা কুসুম গরম হলে ভালো হয়। মাসে ১ বার করুন এটি।
 
কপিরাইট ©২০১৬ Health And Wellness Related Portal
Distributed By : মোহাম্মদ নাবিল . Powered by: প্লাস আইটি